রাজাবাড়ীর দৌলতদিয়াঘাটে গত কয়েক দিন ধরে রয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন শিথিল হওয়ার পর থেকেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার নামে পরিচিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বেড়েছে যাত্রীর চাপ।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ছবি
সোমবার সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে ঢাকাফেরত যাত্রী ও ঢাকামুখী যাত্রীদের গন্তব্য ফিরতে ভিজে ভোগান্তিতে পড়েছে।
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকার বাংলাদেশ হ্যাচারিজ পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যে যানবাহন চালক, যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। বৃষ্টি না ছাড়ায় অনেকে আবার ভিজেই মোটরসাইকেল নিয়ে রওনা দিয়েছেন গন্তব্যে।
ফরিদপুর থেকে আসা একটি ওষুধ কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার মো. রোস্তম আলী বলেন, জরুরি কাজে ঢাকায় রওনা দিয়ে সকাল ৯টার দিকে ঘাট এলাকায় এসে বসে আছি। পথে বৃষ্টিতে ভিজে ফেরিতে উঠতে পারছি না। কখন যে বৃষ্টি ছাড়বে, বুঝতে পারছি না; দ্রুত ফেরিতে উঠতে পারলে নিস্তার পেতাম।
পাংশা থেকে  ঢাকাগামী  যাত্রী লুপা আক্তার বলেন, মামার সঙ্গে হোন্ডায় করে এক আত্মীয়ের অসুস্থতার কথা শুনে ঢাকা যাচ্ছিলাম; পথে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এসে বৃষ্টিতে ভিজে গেছি। এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি না থামায় একটি দোকানে দাঁড়িয়ে আছি। বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ দেখছি না বলে জানান তিনি।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়াঘাট শাখার ব্যবস্থাপক শিহাবউদ্দিন বলেন, পশুবাহী ট্রাকের চাপ গতকাল থেকে একেবারেই নেই, তবে ঢাকাফেরত যাত্রীরা তাদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস নিয়ে ঢাকা থেকে বেশি ফিরছে। বর্তমানে এ নৌরুটে  ছোটবড় মিলে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *