টিকা নিতে এত দেরি হওয়ার কারন জানতে চাইলে, এই জিজ্ঞাসার জবাবে শাবনূর বলেন, ‘এমনিতেই আমার যেকোনো ধরনের ইনজেকশন নেওয়ার ব্যাপারে ভয় কাজ করে। তিনি আরও জানান ছয় মাস পরপর যখন ফুল বডি চেকআপ করতে যাই, রক্ত দেওয়ার সময় পাশে থাকা যে কেউ এটা ভালোভাবে টের পায়। করোনার টিকা নেওয়ার ব্যাপারেও একটা ভয় কাজ করেছিল। কিন্তু এখন যে পরিস্থিতি, তাতে টিকা নেওয়া ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। কিন্তু সিডনিতে এখন করোনা সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। কেউ মাস্ক ছাড়া বাসার বাইরে গেলে তাকে বড় অঙ্কের জরিমানাও গুনতে হয়। সিডনিতে কেউ টিকা না নিলে দেশের বাইরে যাওয়ার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা আছে। এসব কিছু চিন্তা ভাবনা করে পরিবারের সবাই মিলে টিকা নিয়েছি।’

সে এবং তার পরিবারের সবাই ফাইজারের টিকা নিয়েছে। তিনি টিকা নেওয়ার পর শরীরে হালকা জ্বর এসেছে বলে জানান । তাকে আবার ১০ সপ্তাহ পরে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে বলে জানান তিনি।

শাবনূর এ–ও বললেন, ‘ইনজেকশন ফোবিয়ার কারণে আমি দেরিতে টিকা নিয়েছি। কাজ তার একটুও ঠিক নাই।’ সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শাবনূর বলেন, ‘ভয়ের কিছু নেই, চিন্তারও কোনো কারণ নেই। নিজেরা টিকা নিন, আশপাশের সবাইকে নিতে উদ্বুদ্ধ করুন। আপনি যেমন সুরক্ষিত থাকবেন, সুরক্ষিত থাকবে আপনার চারপাশও।’

নতুন কোনো চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে শাবনূরকে দেখা যায়নি গত কয়েক বছর। এখন ঢাকা টু সিডনি আসা-যাওয়ার মধ্যেই আছেন। একমাত্র ছেলেকে মানুষ করে তোলার দিকেই বেশি মনোযোগী তিনি। তবে অভিনয়ে না থাকলেও শাবনূরকে নিয়ে আলোচনার কমতি নেই। শাবনূর জানান, কয়েক দফা দেশে আসার পরিকল্পনা করলেও শেষ মুহূর্তে বাতিল করতে হয়েছে। দুই দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই ঢাকায় ফিরবেন। এসেই শুটিং শেষ না হওয়া কয়েকটি চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করবেন। তিনি এ ও জানান যে তার নতুন সিনেমার জন্য কথা হচ্ছে।

রোববার সকালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনী শহরের রয়েল প্রিন্স আলফ্রেড হাসপাতালে তিনি ও তার পরিবারের সবাই টিকা গ্রহণ করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *